শুরু হচ্ছে বিপিএল ! বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম বড় একটি লীগ ! যেখানে সুযোগ পাবে বিশ্বের বেস্ট ক্রিকেটার

প্রথমে ব্যাটিং করে নাইট রাইডার্সের গোল্ড দল ৪ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে করেছিল ২১৫ রান। অর্ধশতরান করেছিলেন বেঙ্কটেশ আইয়ার, ৪৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন অনামী লুবনিথ সিসোদিয়াও। যদিও পরের সেই রান তাঁড়া করতে নেমে আবার পুরো আলো কেড়ে নিলেন কুইন্টন ডি ককদের পার্পেল ব্রিগেডওগোল্ডের হয়ে প্রথম ওভারে বোলিং করেন অনরিখ নর্কিয়া, তিনি শুরুতেই নো বল করেন। আর ফ্রি হিট পেয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে দেন কুইন্টন ডি কক, সেই ওভার থেকে আসে ১৭ রান।

এরপর দ্বিতীয় ওভারে নেট বোলারদের বিরুদ্ধে বাউন্ডারি মারেন অংকৃষ রঘুবংশী। তখনও বোঝা যাচ্ছিল না মুম্বইয়ের এই ব্যাটার ঠিক কি ছন্দে রয়েছেন। তৃতীয় ওভারে বোলিং করতে আসেন নর্কিয়া, তাঁর শর্ট ডেলিভারিতেও সপাটে ছয় মারেন অংকৃষ। যদিও এরপরেই শর্ট বলে সেই অংকৃষকে কাবু করেন প্রোটিয়া পেসার। ৯ বলে ২৩ রান করে তিনি মাঠ ছাড়েন।এরপর রাহানে ব্যাটিং করতে নামেন।

কুইন্টন ডি ককের বিধ্বংসী ইনিংসে ৫ ওভারেই ৬৫ রান তুলে ফেলে নাইট ব্রিগেড। সপাটে ছয় মেরে ইডেনের কাঁচও ভাঙেন ডি কক। পাওয়ারপ্লের শেষে টিম পার্পেলের স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৮০। মাত্র ২১ বলেই মারকাটারি অর্ধশতরান করার পর মায়াঙ্ক মারকাণ্ডের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন প্রোটিয়াদের এই বাঁহাতি ব্যাটার।নাইটদের পার্পেল দলের হয়ে কিন্তু চিন্তা বাড়ালেন আজিঙ্কা রাহানে। কারণ ব্যাটে তিনি তেমন রানও পেলেন না, স্ট্রাইক রেটও খুবই খারাপ।

রভম্যান পাওয়েলের বলে রাহানে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেন। এরপর অংকৃষকে আরেকবার নামানো হলেও তিনি রান পাননি। এরপরই মাঠে নামেন সেই আন্দ্রে রাসেল এবং রিঙ্কু সিং। বিধ্বংসী রাইট হ্যান্ড, লেফট হ্যান্ড জুটির দিকে নজর ছিল সকলের। শেষ ১০ ওভারে নাইটদের দরকার ছিল ৯৯ রান। মায়াঙ্ক মারকাণ্ডে ১১তম ওভারটি করতে এসে দিলেন ১৯ রান। তাঁকে পরপর বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি মারলেন আন্দ্রে রাসেল।

রাসেল এবং রিঙ্কু মিলে কেকেআর গোল্ড দলের বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ছেড়ে দিলেন। তাতেই এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যায় টার্গেট। মাত্র ২২ বলেই অর্ধশতরান করে ফেলেন রাসেল, তাঁর ইনিংস দেখে স্বস্তিতেই থাকবেন ব্র্যাভো এবং পণ্ডিত। ৩০ বলে পার্পেল ব্রিগেডের আর ২১ রান বাকি থাকবেই রাসেল রিটার্য়ার্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপর রমনদীপ সিং, রিঙ্কু সিংরা ১৬ ওভারের মধ্যেই ম্যাচ জিতে নেন।তারপর সেই টার্গেট বদলে দেন কোচ, মেন্টর।

২১৬ রান চেজ করে নেওয়ার পর বাকি ৪ ওভারে আরও ৩৪ রানের টার্গেট দেওয়া হয় পার্পেল দলের কাছে। অর্থাৎ ২৫০ রান করতে বলা হয়। সেখানেও অনরিখ নর্কিয়াকে বড় ছয় মারেন রমনদীপ সিং। এরপর নর্কিয়া আউট করেন রমনদীপকে, তারপর উইকেটে এলেন অনুকুল রায়। রিঙ্কু সিংও মারকাটারি অর্ধশতরান করেন।